Tuesday, April 26, 2022

আসছে ঈদুল ফিতরের দিন সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে

আসছে ঈদুল ফিতরের দিন সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে

মে মাসের দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মাসে দেশের উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অন্যস্থানে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।রমজানের ৩০ রোজা শেষে আগামী ৩ মে পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সেক্ষেত্রে ঈদের দিন থেকে ৪ মে পর্যন্ত সারাদেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া মে মাসের প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ২ মে থেকে সারা দেশে তাপমাত্রা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নেমে আসবে। বৃষ্টিপাত বাড়বে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী মে মাসে বঙ্গোপসাগরে এক-দুটি নিম্নচাপ দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, মে মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। উত্তর থেকে মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত দুই থেকে তিনদিন মাঝারি বা তীব্র কালবৈশাখী বা বজ্রসহ ঝড় এবং অন্যস্থানে তিন থেকে চার দিন হালকা বা মাঝারি কালবৈশাখী বা বজ্রসহ ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
সৌদি আরবে জীবন মৃত্যুর সন্ধিখনে থাকা প্রবাসী ইকবাল বাড়ী ফিরতে চায়

সৌদি আরবে জীবন মৃত্যুর সন্ধিখনে থাকা প্রবাসী ইকবাল বাড়ী ফিরতে চায়

সৌদি আরবে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে থাকা প্রবাসী ইকবাল বাড়ি ফিরতে চান মোহাম্মদ ইকবাল। ভাগ্য বদলাতে ২০১৯ সালে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। কাজ পান আল গোলাইমি কোম্পানীতে। দুই বছর বেশ ভালোই কাটছিল ইকবালের জীবন। হঠাৎ তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। স্ত্রী সন্তান ও মা চিন্তায় পড়ে যান। ৬ মাস পর খোঁজ মেলে ইকবালের। তখন তিনি হাসপাতালে অচেতন। ব্রেইন স্ট্রোকে এখনো তিনি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। কাজ আর কোম্পানী হারিয়ে সৌদি আরবে অবৈধ হয়ে যান ইকবাল। প্রথমে রিয়াদের একটি হাসপাতাল ও পরে আল মাজমা জেলার কিং খালেক হাসপাতাল তার স্থায়ী ঠিকানা হয়। ইকবালের শরীর এখন নানা ধরণের মেশিনে আবৃত্ত। কথা বলতে পারেন না। যোগাযোগ করতে পারেন না বাড়িতে। তার দেখভালের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশীরাই ইকবালের খোঁজ জানান পরিবারের কাছে। ইকবাল হরিণাকুন্ডু উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মৃত নায়েব আলী ওরফে ভাদু জোয়ারদারের ছেলে। এদিকে সেই ইকবাল আর এই ইকবালের শরীর চেনার মতো নেই। শরীর শুকিয়ে ক্ষীর্ণকায়। হাসপাতালের অসুস্থ জীবন তাকে যেন বিষিয়ে তুলেছে। দেশে ফিরে স্ত্রী, সন্তান ও মায়ের সেবা পেলে হয়তো মানসিক ভাবে সুস্থ হতে পারতেন ইকবাল। এদিকে হাসপাতালে একনাগাড়ে চিকিৎসা ব্যয় এসে দাড়িয়েছে ৭২ হাজার রিয়ালে। এই টাকা পরিশোধ করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। কি ভাবে তিনি দেশে ফিরবেন ? নাকি সেখানেই মৃত্যু পেয়ালায় শেষ চুমুক দিয়ে শায়িত হবেন এই নিয়ে তার পরিবার দুশ্চিন্তায় পড়েছে। ইকবালকে দেশে আনতে কোন উপায় খুজে পাচ্ছেন না তার স্ত্রী শেফালী খাতুন। মা শিরিনা খাতুন সন্তানের জন্য কাঁদতে কাঁদতে পাগল প্রায়। ইকবালের অবুঝ দুই শিশু সন্তান ইভা ও ইয়াছিন সব সময় খুজে ফেরে পিতাকে। পিতার মুখটি দেখতে তারা উদগ্রীব। অসহায় এই পরিবারটি সংসারের একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তিটির দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সৌদি আরবে বাংলাদেশ দুতাবাস ও সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন। কারণ ইকবালকে আনার মতো আর্থিক সামর্থ তার পরিবারের নেই। ইকবালের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ০১৭২৯-৮৮৮৮৩৬ ও ০১৬২৭৯৩১৯৪৫।